Pages

নববাবুবিলাস - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়

নববাবুবিলাস - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়

নববাবুবিলাস - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৭৮৭-১৮৪৮) লেখক, সাংবাদিক, কলকাতার রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের অন্যতম নেতা। কলকাতার নিকট একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্বশিক্ষিত ভবানীচরণ ফার্সী, সংস্কৃত ও ইংরেজিসহ বেশ কয়েকটি ভাষা আয়ত্ব করেছিলেন। ইংরেজি জানার কারণে বিশপ হেবার, বিশপ মিডলটন এবং প্রধান বিচারপতি পুলারসহ বেশ কয়েকজন নামী ইংরেজের অধীনে তিনি কাজ করার সুযোগ লাভ করেন।
১৮২৫ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর নববাবুবিলাস। নববাবুবিলাস গ্রন্থে তিনি নব্যধনীদের অসংযমী জীবনযাত্রাকে বিদ্রূপবাণে বিদ্ধ করেন। পরে প্যারীচাঁদ মিত্র আলালের ঘরের দুলাল (১৮৫৪-৫৮) নামে যে প্রথম বাংলা উপন্যাস প্রকাশ করেন, নববাবুবিলাস তার পথ দেখিয়েছিল। ভবনীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় উপন্যাস রচনা না করলেও, তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম সৃজনশীল গদ্য লেখেন।

এমন একজন মানুষ তবু সতীদাহ বহাল রাখতে চেয়েছিলেন। ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেবল লেখক এবং সাংবাদিক হিসেবেই নয়, রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের একজন প্রধান নেতা হিসেবেও তিনি পরিচিত ও খ্যাতিমান ছিলেন। সদ্য নিষিদ্ধ ঘোষিত সতীদাহ প্রথা চালু রাখার উদ্দেশে ১৮৩০ সালে রাধাকান্ত দেবের নেতৃত্বে ধর্মসভা স্থাপিত হলে, ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় তার সম্পাদক মনোনীত হন। পরবর্তী জীবন তিনি এ পদেই অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৮৪৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

বই নিয়ে শুধুমাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, বই নিয়ে শুধু মাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, নতুন প্রজন্ম চকঝমকের আকর্ষণে বইয়ের দিক থেকে ঘুরিয়ে নিচ্ছে মুখ। আমাদের এ আয়োজন বইয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ককে অনিঃশেষ ও অবিচ্ছিন্ন করে রাখা। আশাকরি আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এই ইচ্ছা আরোও দৃঢ় হবে। দুনিয়ার পাঠক এক হও! বাংলা বই বিশ্বের বিবিধ স্থানে, সকল বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য হোক! সাধ্যের মধ্যে থাকলে বইটি কিনবেন এই প্রত্যাশা রইলো।