সাম্প্রতিক বইসমূহ :
সাম্প্রতিক বইসমূহ

Amarboi offers a New Nexus 7 to a lucky winner.



  1. All new and active members will have chance to win a Google Nexus 7 16GB Wifi  only (2013) Tablet.
  2. A new member can subscribe from now until 25th December 2014.
  3. We will announce the winner's name on 1st January 2015.

If you have any question please comment below.

ফ্রানৎস কাফকা গল্প সমগ্র প্রথম খন্ড জীবদ্দশায় প্রকাশিত লেখাসমূহ অনুবাদ করেছেন মাসরুর আরেফিন

Franz Kafka Golpo Samagra Prothom Khando Mashrur Arefinফ্রানৎস কাফকা গল্প সমগ্র প্রথম খন্ড জীবদ্দশায় প্রকাশিত লেখাসমূহ অনুবাদ করেছেন মাসরুর আরেফিন
আধুনিক পৃথিবীর দিকে তাকানো, এক অর্থে ফ্রানৎস কাফকার চোখ দিয়ে তাকানোই। কাফকার ভুবনে প্রবেশ করা লেখক ও পাঠকদের কাছে তিনি বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক; শতাব্দীর বিবেক। এই মহান ও ‘ভবিষ্যদ্বক্তা’ লেখকের সব ছোট ও বড় গল্প দুই খ-ে, বিস্তারিত ভূমিকা ও প্রতিটি লেখার ব্যাখ্যা -টীকাসহ, বাংলা ভাষায় এই প্রথম। এই খ-ে থাকছে লেখকের জীবদ্দশায় প্রকাশিত লেখাগুলোর সম্ভবত যে কোনো ভাষায়, এযাবৎকালের সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ সংকলন। ফ্রানৎস কাফকার বিচিত্র ভুবনে স্বাগত, যেখানে এক সেলস্্ম্যান ঘুম থেকে উঠে বিষণœ তেলাপোকায় রূপান্তরিত হয়ে যায়; এক ছেলে বিয়ে করে স্বাধীন হতে চায় বলে তার বাবা তাকে মৃত্যুদ- দিয়ে দেন; এক অনশন-শিল্পী উপোস করে করে মারা যাওয়ার আগে বলে যায়Ñ এই পৃথিবীতে তার খাওয়ার মতো কোন খাদ্য নেই বলেই অনশনই ছিল তার শিল্প; এক লোক সারা জীবন অপেক্ষা করে করে ব্যর্থ হয় আইনের দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে, আর তার মৃত্যুর সময় বলা হয়, এই দরজাটি শুধু তার জন্যই বানানো হয়েছিল ... বিংশ শতাব্দীর বিশ্বসাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী লেখক ফ্রানৎস কাফকা। শেক্সপিয়ারের পরে আর কোনো লেখককে নিয়ে এতটা গবেষণা হয়নি, যা হয়েছে কাফকাকে নিয়ে। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের মধ্যভাগের আগেই তাঁকে নিয়ে লেখা হয়ে গেছে ১০ হাজার বই। আর ১৯৯৬ থেকে ২০১০ পর্যন্ত সময়ে প্রতি ১০ দিনে তাঁর ওপর বের হয়েছে একটি করে নতুন বই। মাত্র নয়টি পূর্ণাঙ্গ গল্প, তিনটি অসমাপ্ত উপন্যাস, সামান্য কয়টি অসমাপ্ত বড় গল্প, কিছু গদ্য-স্কেচ, ডায়েরি ও চিঠি রেখে যাওয়া এই লেখকেরÑ যিনি বন্ধুকে আদেশ দিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর সব লেখা পুড়িয়ে ফেলতেÑ ক্ষুদ্রায়তন পা-ুলিপির মূল্য ধরা হয়েছিল ১০ কোটি পাউন্ড, কিন্তু অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তা বেচেনি। এই পর্যন্ত সাহিত্যে নোবেলজয়ী ১০৯ জন লেখকের মধ্যে ৩২ জনই নিজেদের ওপরে কাফকার প্রভাবের কথা স্বীকার করেছেন।

ফ্ল্যাপের কথা
কাফকা সাহিত্যে ‘নিয়তি বা সম্তভবত এই লেখাগুলোর মহত্ত্ব এটাই যে , সবকিছু আছে এতে, কিন্তু কোনো কিছুই নিশ্চিত করা হয়নি’ - আরব্যের কাম্যু
আধুনিক পৃথিবীরর দিকে তাকানো এক অর্থে , ফ্রানৎস কাফকার চোখ দিয়ে তাকানেই। কায়কার ভুবনে প্রবেশ করা লেকখ ও পাঠকদের কাছে তিনি বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক, শতাব্দীর বিবেক,বিচ্ছিন্নতা, হতাশা আর দূর্বোধ্য কর্তৃপক্ষের হাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার হয়রান হওয়া মানুষের কাছে এ জীবনটিই ‘কাফকায়েস্ত, যে শব্দটি আমরা এখন ব্যবহার করি আমাদের ব্যক্তি জীবনের একই রকম অভিজ্ঞতাগুলোর বর্ণনার সময়ে।
এই মহান ও ‘ভবিষ্যবক্তা’ লেখকের-যিনি তাঁর লেখায় ঘটনার অনেক আগেই ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হলোকাস্ট, কম্যুনিজম ,অস্ত্বিত্ববাদ ও স্নায়ুযুদ্ধের -সব ছোট ও বড় গল্প দুই খণ্ডে ,বিস্তারিত ভূমিকা ও প্রতিটি লেখার ব্যাখ্যা-টীকাসহ, বাংলা ভাষায় এই প্রথম।
প্রথম খণ্ডে থাকছে লেখকের জীবদ্দশায় ছাপা সব লেখা, যার মধ্যে রয়েছে তিনি তাঁর যে কটি লেখা গোনায় ধরা যায় বলে ভাবছেন, সেই সব কটি লেখাই। আজ পর্যন্ত কাফকার ‘জীবদ্দশায় প্রকাশিত লেখা নিয়ে ‘ ছাপা অসংখ্য ইংরেজী ‍অনুবাদ-গ্রন্থের একটিতেও এতগুলো লেখা একসঙ্গে নেই, যা রয়েছে গল্পসমগ্রের এই প্রথম খণ্ডে। তার মৃত্যুর আগে ছাপা হওয়া সবগুলো গল্পই শুধু নয়, এত থাকছে তাঁর অনবদ্য এক ভ্রমণকাহিনী, ম্যাক্স ব্রডের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা অমাপ্ত এক উপন্যাসের প্রথম খণ্ড, তার আমেরিকা উপন্যাসের প্রথম অধ্যায়, যা তিনি বই আকারে প্রকাশ করেছিলেন, এমনকি তাঁর লেখা তিনটি সমালোচনামূলক প্রবন্ধও।
ফ্রানৎস ডকাফকা বিচিত্র ভূবনে স্বাগত , যেখানে এক সেলসম্যান ঘুম থেকে উঠে বিষণ্ন তেলাপোকায় রূপান্তরিত হয়ে যায়; এক ছেলে বিয়ে করে স্বাধীন হতে চায় বলে তার বাবা তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে দেন; এক অনশন-শিল্পী উপোস করে করে মারা যাওয়ার আগে বলে যায়- এই পৃথিবীতে তার খাওয়ার মতো কোনো খাদ্য নেই বলেই অনশনই ছিল তার শিল্প; এক লোক সারা জীবন অপেক্ষা করে করে ব্যর্থ হয়ে আইনের দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে; আর তা মৃত্যুর সমসয় বলা হয়, ওই দরজাটি ‍শুধু তার জন্যই বানানো হয়েছিল।

Franz Kafka Golpo Samagra Prothom Khando Mashrur Arefin
পাঠক বইটি পড়বে এটাই আমাদের মৌলিক উদ্দেশ্য। আমরা চাই পাঠক বইটি পড়ুক, আলোচনা, সমালোচনা করুক, তাহলেই আমাদের সার্থকতা। নইলে এতো কষ্ট বৃথা, তাই আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। আর্থিক ভাবে আমাদের সহায়তা করবার জন্য, অনুরোধ রইলো আমারবই.কম এর প্রিমিয়াম সদস্য হবার। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

শতমুখে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

Satamukhe Sunil Gangopadhyayশতমুখে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
এ গ্রন্থ আদতে বাংলার কবি-সাহিত্যিকদের সুনীল-স্মৃতি-সুধায় ঋদ্ধ এক জরুরি স্মৃতি দলিল!
‘স্মৃতির পটে জীবনের ছবি কে আঁকিয়া যায় জানি না। কিন্তু যেই আঁকুক সে ছবিই আঁকে’। যখনই ডাউন মেমোরি লেনে হাঁটার কথা শুনি, পড়ি; আমার মনে পড়ে যায় রবিঠাকুরের ‘জীবনস্মৃতি’-র এই সত্যভাষ। আসলে চিত্রকলা, শিল্প-সাহিত্যে, সিনেমায় বার বার দেখেছি স্রষ্টাকে স্মৃতির কাছে নতজানু হয়ে রেকাব পাততে। কিন্তু, কাজটা মোটেই সহজ নয়। পিছন পানে হাঁটতে হাঁটতে লেখাও সহজ নয়। বেশিরভাগ সময়, এলোপাথাড়ি স্মৃতিরা এসে ওলোট-পালট করে দেয় সব কিছু। ভেঙে যায় স্থিতধী চারণার গূঢ় শৃঙ্খলা। দু’ একটি লেখা বাদ দিলে যেটা হয়নি উজ্জলকুমার দাস সম্পাদিত ‘শতমুখে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়’ গ্রন্থে। প্রখর স্পষ্টবাদিতা ও অনাবিল সততার কথা হয়তো নেই, তবে কবিকে নিয়ে স্মৃতিচারণে অনেকেই মহতী। অনেকের লেখা কবি বেঁচে থাকতেই অন্য একটি গ্রন্থের জন্য লেখা। সেই পুরানো ও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত ও নতুন লেখা নিয়ে এ গ্রন্থ আদতে বাংলার কবি-সাহিত্যিকদের সুনীল-স্মৃতি-সুধায় ঋদ্ধ এক জরুরি স্মৃতি দলিল! যাতে নেই স্মৃতিভার! আছে তো বিনীত পরম্পরার ছবি!
কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে এ ধরনের বই নতুন নয়। তবে, কবির মৃত্যুর পর এটিই প্রথম। কারা লিখেছেন কবি সুনীলকে নিয়ে? যদি বলি, কাদের লেখা নেই? সূচিপত্রে দেখছি, প্রেমেন্দ্র মিত্র, আশাপূর্ণা দেবী, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, মুস্তাফা সিরাজ, শঙ্খবাবু, বুদ্ধদেব, সৌমিত্র, স্বাতী, সমীর, শরৎ, উৎপল, নবনীতা, সমরেশ, হর্ষ, বাশার, শ্যামলকান্তি, জয়, বীথি, বাদল বসু... কে নেই! ৪৮ জন কবি-শিল্পীর লেখায় সাজানো এ সংকলন আদতেই এক সুনীল-স্মৃতি-সরণি! সবাই কি সত্যি লিখেছেন বন্ধু-সহকর্মী-লেখক-কবি-মানুষ সুনীলকে নিয়ে? না হোক আত্মজীবনী। তবু তো জীবনের স্মৃতি-পট থেকে তুলে আনা লেখা! সুনীলকে নিয়ে তাঁর প্রিয় বন্ধু-স্বজনদের লেখা পড়ে মনে পড়ে যাচ্ছিল বার্নাড শ’র সেই বিতর্ক-উক্তি! সেই যে লিখেছিলেন না, ‘all autobiographies are lies. I do not mean unconscious, uniutentional lies. I mean deliberati lies. No man is bad enough to tell the truth about himself, during his lifetime, involving, as it must. The truth about his family and his friends and colleagues’.
‘একবার বিছানায় শুই, পায়চারি করি। আর ফাঁকে ফাঁকে কত কথা যে মনে পড়ে। সুনীলদার সঙ্গে কত দিনকার কত স্মৃতি। চোখের অনেক ভেতর থেকে দেখতে পাই সেইসব দিন, সেই সব উত্তাল রাত’।... কবি সুনীলকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে লিখছেন বাংলাদেশের লেখক ইমদাদুল হক মিলন। যাপন আর সৃষ্টি একাকার হয়ে যায় যে কবির গদ্যপদ্যে, মাতোয়ারা হয় দুটি দেশ, সেই কবিকে নিয়ে ইমদাদুলের এই স্মৃতি জাগানিয়া শব্দ-বিন্যাস। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের পর সম্ভবত, সুনীল সেই কবি; যাঁর মৃত্যুতেও প্রতিবেশী দু’টি দেশ চোখের জলে সকাতরে ভাসল আবার। কত কথা, ছবি হয়ে কথার বাঁকে এসে দাঁড়িয়েছে। শোক-সন্তপ্ত হৃদয়ে সেই ছবির দিকে আমরা তাকিয়ে থাকি। থাকতেই হয়।
ইমদাদুলের মতো এই সজল স্বীকার অনেকের। আবার কেউ বলতে চান কবির মহতী বিস্তারের কথা। ‘সুনীল’ শীর্ষক লেখায় কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র যেমন বহু আগে লিখেছিলেন, ‘বাংলা ভাষায় প্রতিভাবান লেখকের অভাব নেই। কিন্তু সুনীলের প্রতিভা আলাদা গোত্রের, আলাদা জাতের’। এমনতর কথা পাই আশাপূর্ণা দেবীর লেখাতেও। প্রিয় বন্ধু, পরে সহকর্মী শক্তির বন্ধুতার দাবি সুনীলকে ঘিরে ‘সুনীল সম্পর্কে দু-একটি কথা’-তেও হাজির। তাই লেখা শেষ হয় এই সনদে, ‘কৃত্তিবাসের সুনীলকে ফিরে পেতে চাই’!
সুনীলের গদ্যরীতির মধ্যে বিনয় ও দুজনের মানবিক সম্পর্ক নিয়ে সুষ্ঠু ও সংগত-সংক্ষিপ্ত লেখা নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘সুনীল এবং সুনীল’। তাঁর গর্ব, ‘আমার প্রিয় লেখককে আমারই চোখের সামনে আমি তৈরি হয়ে উঠতে দেখেছি। তার জন্য আমার খুব গর্ববোধ হয়’। মৃত্যুর পর ‘দেশ’ পত্রিকায় সুনীলকে নিয়ে এখনও পর্যন্ত যে লেখাগুলি প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে দরদী লেখাটি লিখেছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। ‘চলে গিয়েও সুনীল রয়ে গেল’ শীর্ষক সে লেখার শুরুতেই বান্ধবহীন বিষাদ, 'এমনও তো হয় কোনোদিন/ পৃথিবী বান্ধবহীন/ তুমি যাও রেলব্রীজে একা-'!
‘কী রকম ভাবে বেঁচে ছিলেন’ সুনীল? নিজস্ব গদ্যে, একটানে কবি-সুনীলের প্রায় সবটা এঁকে ফেলেন শঙ্খ ঘোষ। সুনীলের কবিতায় রবীন্দ্রবিদ্বেষ, যৌন-কাতরতা, নীরা, তাঁর সর্বভুক ভালবাসা... সব, সবটা। লেখা শেষ হয় অতিরহস্যের মায়াজালে, ‘যমুনার হাত ধরে স্বর্গের বাগানে এখন তাঁর ছুটোছুটির সময়’! যেমন লেখেন দিব্যেন্দু পালিত অথবা, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়। পড়তে পড়তে একটি জীবনের বহুধা ছবি এসে দাঁড়ায়। বুদ্ধদেব গুহ, দুলেন্দ্র ভৌমিক, সমীর রায়চৌধুরী। পড়ে ফেলি কবি-জায়া স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়, বেলাল চৌধুরী, শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়। প্রিয় কবিকে নিয়ে স্মৃতি-পাঠ অশ্রুসজল হয়ে ওঠে একসময়। সন্দীপন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, আনন্দ বাগচী, নাট্যকার বিভাস চক্রবর্তী বা চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষের লেখায় অন্য এক সুনীলকে পাঠক আবিষ্কার করে। যেমন ছবি নিয়ে শিল্পীর সঙ্গে লেখকের সম্পর্ক প্রসঙ্গে পাঠক দেখে ফেলে অন্য আরেক কবিকে শিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘সুনীল সাগরে’। ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে কবির সুদীর্ঘ সময়কালের সম্পর্কটি সে তুলনায় ঠিক তেমনভাবে পাঠক ‘দেশ’ সম্পাদক হর্ষ দত্তের লেখায় পায় না। ‘প্রিয় ‘দেশ’, প্রিয় মানুষ’ লেখাটি জরুরি; তবে আবেগের থেকে তথ্যের দাবিদার ছিল আরও অনেক বেশি। কেন না, সুনীল ও ‘দেশ’ পত্রিকার একটি সু-সংগত কালানুক্রম পাঠ থাকা দরকার ছিল বাংলা সাহিত্যের এই ‘মননশীল’ পত্রিকার সুনীল সংখ্যায়!
একান্ত ব্যক্তিগত স্মৃতি থেকে উঠে আসা লেখা ধনঞ্জয় পয়ড়্যার ‘চোখের সামনে ওঁর মৃত্যু দেখতে হল’। পাঠক এ লেখায় কবির রোজনামচায় ঢুকে পড়ে। কেমন করে লিখতেন, নিষেধের তর্জনী ঠেলে কীই বা ছিল তাঁর খাদ্যাভাস! পড়তে গিয়ে একসময় এ লেখার অতি সতর্ক পাঠক-ও কবির স্বজন হয়ে ওঠেন। এখানেই এ স্মৃতি-লিখনের সার্থকতা। এভাবেই হয়তো সংকলনের সব লেখা ঠিক একমুখিন নয়, এলোমেলো। হয়তো, গদ্যের সু-কৌশলী গাঁথুনি নেই, কিন্তু স্মৃতি-সংরাগের বেদন মীড়ে উদাস!
সু-গ্রন্থনার পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে বুকের মধ্যে সে সুর যেন ছড়িয়ে পড়ে, মনখারাপের টিউন চলে দীর্ঘ দুপুর। সুনীল-স্মৃতি-পাঠ ফুরিয়েও যেন শুনি বুকের গহনে অন্ধ বেহালা-বাদকের ছড় টানার শব্দ! এলোমেলো, তবু নানা স্মৃতি-অনুষঙ্গকে ঘিরে ফুটে ওঠা অনুভবের শিউলিগুলি মনোময় আশ্চর্য এক ছবি তৈরি করে প্রিয় কবির। আসলে আমরা সবাই তো ছবি দিয়ে জীবনের সহজপাঠে প্রবেশ করি; সেই যে তসলিমা লিখেছিলেন না, তাঁর অশ্রুতপূর্বকথা ‘আমার মেয়েবেলা’-য়। যে, ‘ছবি আমার মনে গাঁথা, শব্দ নিয়ে আদৌ মাথা ব্যথা নেই। আসলে আমি ছবি পড়ি, শব্দ নয়। অক্ষর আঁকার আগে এঁকেছি গাছ, ফুল, নদী, নৌকা’!

Satamukhe Sunil Gangopadhyay in pdf
পাঠক বইটি পড়বে এটাই আমাদের মৌলিক উদ্দেশ্য। আমরা চাই পাঠক বইটি পড়ুক, আলোচনা, সমালোচনা করুক, তাহলেই আমাদের সার্থকতা। নইলে এতো কষ্ট বৃথা, তাই আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। আর্থিক ভাবে আমাদের সহায়তা করবার জন্য, অনুরোধ রইলো আমারবই.কম এর প্রিমিয়াম সদস্য হবার। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

রাধা কৃষ্ণ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

Radha Krishna - Sunil Gangopadhyay রাধা কৃষ্ণ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

Radha Krishna - Sunil Gangopadhyay
আমারবই.কম এর প্রিমিয়াম সদস্য হতে চাইলে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
কোন ডাউনলোড লিঙ্ক কাজ না করলে, নিচের কমেন্টস বক্সে লিখে আমাদের জানিয়ে দিন, আমরা যথা সম্ভব দ্রুততার সাথে আবার আপলোড করে দেবো।
 
Support : Visit our support page.
Copyright © 2011. Amarboi.com - All Rights Reserved (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি)
Website Published by Amarboi.com
Proudly powered by Blogger.com