সাম্প্রতিক বইসমূহ
Showing posts with label boimela. Show all posts
Showing posts with label boimela. Show all posts

বাংলা টেলিভিশনের ৫০ বছর - ফরিদুর রেজা সাগর

Bangladesh Televisioner 50 Bochhor by Faridur Reza Sagor বাংলা টেলিভিশনের ৫০ বছর - ফরিদুর রেজা সাগর

বাংলা টেলিভিশনের ৫০ বছর সরল গদ্যে লেখা এক অনন্য দলিল। টেলিভিশন তখন এক ‘আজব বাক্স’ কিংবা ‘জাদুর বাক্স’। সেই বাক্সের প্রেমে মোহগ্রস্ত হন তিনি শৈশব-কৈশোরে। বলতে গেলে টেলিভিশনের আবহেই বেড়ে ওঠা তাঁর। তাই বড় হয়ে টেলিভিশন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লিখেছেন নানা ধরনের লেখা। হ্যাঁ, খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক, টিভি ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরের কথাই বলছি। তাঁর সেসব লেখায় ফুটে উঠেছে কখনও স্মৃতিকথা, কখনও নতুন পরিকল্পনা, কখনও বা মিডিয়া ভাবনা। সেই লেখাগুলো নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে তাঁর চারটি বই ‘একজীবনে টেলিভিশন’, ‘টেলিভিশন আরেক জীবন’, ‘টেলিভিশন : জীবনের সঙ্গী’, ‘টেলিভিশন ভাবনা’। আলোচ্য বইটি এই চারটি বইয়েরই সঙ্কলিত রূপ।

বর্তমানে গণমাধ্যমই সময়ের সবচেয়ে বড় প্রভাবক। ব্যক্তি, সমাজ, এমনকি রাষ্ট্রীয় জীবনে গণমাধ্যম আজ সবচেয়ে বড় অনুঘটক। গণমানুষের চেতনা বিকাশ থেকে শুরু করে সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এর অবদান আজ অনস্বীকার্য। আর এই সময়টিতে পৌঁছতে কেটে গেছে অর্ধশতাব্দীকাল। বাংলা টেলিভিশনের অর্থশতাব্দী। আর বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুবর্ণ জয়ন্তীর এ মাহেন্দ্রক্ষণে প্রকাশিত হয়েছে ফরিদুর রেজা সাগরের টেলিভিশনবিষয়ক বৃহৎ গ্রন্থ ‘বাংলাদেশ টেলিভিশনের ৫০ বছর’। গ্রন্থের মুখবন্ধে লেখকের সুহৃদ শাইখ সিরাজ উল্লেখ করেনÑ ‘আমার বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে। আমরা একসঙ্গে যারা বেড়ে উঠেছি তাদের প্রায় সবাই ষাটোর্ধ্ব। আমার বন্ধু ফরিদুর রেজা সাগর এই ষাটোর্ধ্ব জীবনে সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছেন টেলিভিশনের সঙ্গে। ওর জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে টেলিভিশন। চেতনায় ও মননে টেলিভিশন। যারা আমাদের বয়সী তারা টেলিভিশনকে পঞ্চাশ বছর ধরে দেখছি, কিন্তু সাগর যেভাবে দেখেছেন বা দেখছেন তা আর কেউ দেখছি বলে মনে হয় না। বাংলাদেশ টেলিভিশনের যন্ত্রপাতি, আসবাব, কর্মঘণ্টাসহ প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে ওর নিবিড় সখ্য। বলা যায় টেলিভিশনই ওকে তৈরি করেছে একজন ফরিদুর রেজা সাগর-এ। টেলিভিশন জীবনে দীর্ঘকাল যুক্ত থাকার সুবাদে গভীরভাবে উপলব্ধি করছি, এরকম একটি গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার মতো অনেকেই ছিলেন, কিন্তু সাহস করে এগিয়েছেন শুধু সাগর। সাফল্যের সঙ্গে সুচারুভাবে এমন ঐতিহাসিক একটি দলিল, সরল গদ্যে লিখেছেন। যা টেলিভিশনের এই যুগে এই মাধ্যমের যে কোনো অংশের সঙ্গে যুক্ত যে কোনো মানুষকে তথ্যে সমৃদ্ধ করবে, জানাবে বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশের আরেকটি পর্যায়ের গল্পগুলোর ভেতরের আনন্দ, রস ও উত্থান-পতনের কাহিনি।’

বইতে রয়েছে বিটিভির সোনালি যুগের বহু নাটক, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, টকশো, বিষয়ভিত্তিক অনুষ্ঠান, কুইজ অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ধারাবাহিক নাটক, লাইভ ফোন ইন অনুষ্ঠান, সঙ্গীতানুষ্ঠান, ছোটদের অনুষ্ঠান, ছোটদের প্রতিভা সন্ধান (নতুন কুঁড়ি) ও অসংখ্য সফল ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ। বইয়ের কয়েকটি অধ্যায়ে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অসহযোগের সময় ও মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় বিটিভির সাহসী ভূমিকাও আলোচিত হয়েছে। বইটির ভূমিকায় মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর লিখেছেনÑ “এই বইতে ‘বাংলাদেশে টেলিভিশনের’ পটভূমি, জন্ম, সূচনা পর্ব ও ডিআইটি পর্বের প্রথম একদশক সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে, যা যে কোন পাঠককে কৌতূহলী করে তুলবে। বিশেষ করে যাঁরা স্যাটেলাইট টিভির যুগের শিল্পী ও কর্মী তাঁদের কাছে ‘বিটিভি’র ডিআইটি পর্ব রূপকথার মতো মনে হবে। অথচ একদিন সেটাই ছিল বাস্তব।”মছোট ছোট বিভিন্ন পর্বে ভাগ করে লেখা হয়েছে বইটি। হাতের মুঠোয় টেলিভিশন, প্রাণের ছোঁয়ায় টেলিভিশন, প্রাণের স্পন্দনে টেলিভিশন, সবাইকে নিয়ে টেলিভিশন, প্রতিভার খোঁজে টেলিভিশন, গৌরবের টেলিভিশন, আন্তরিকতার টেলিভিশন, দেশপ্রেমের টেলিভিশন, গীতিময় টেলিভিশন, সোনালি দিনের টেলিভিশন, মমতার টেলিভিশন, সরাসরি টেলিভিশন, প্রতিভাবানের টেলিভিশন, সুখস্মৃতির টেলিভিশন, মায়ামমতার টেলিভিশন, সৃজনশীলতার টেলিভিশন, সোনালি সময়ের টেলিভিশন, স্নিগ্ধতার টেলিভিশন, দূরদৃষ্টির টেলিভিশন, উজ্জ্বলতার টেলিভিশন, অস্তিত্বের টেলিভিশন, উজ্জ্বল স্মৃতির টেলিভিশন, ছন্দে আনন্দে টেলিভিশন, প্রাণের গানের টেলিভিশন, আসা-যাওয়ার টেলিভিশন, প্রত্যাশার টেলিভিশন, প্রেম-ভালোবাসার টেলিভিশন, শিক্ষায় টেলিভিশন, জীবনযাত্রার টেলিভিশন, সামনে চলার টেলিভিশন, ভালবাসার টেলিভিশন, উৎসব টেলিভিশন, ইচ্ছাপূরণের টেলিভিশন, মন ছুঁয়ে যাওয়া টেলিভিশন, আলো-ছায়ার টেলিভিশন, রংতুলির টেলিভিশন, চিরসবুজ টেলিভিশন, সূচনার টেলিভিশন, সময় নির্ধারণের টেলিভিশন, ইতিহাসের টেলিভিশন ইত্যাদি শিরোনামে শেষ হয় প্রথম পর্ব ‘একজীবনে টেলিভিশন’। এরপর যথাক্রমে ‘টেলিভিশন আরেক জীবন’, ‘টেলিভিশন : জীবনের সঙ্গী’, ‘টেলিভিশন ভাবনা’ অধ্যায়গুলো। ‘বিটিভি’ সম্পর্কে এমন তথ্যবহুল, সুখপাঠ্য বই সত্যিই বিরল। ফরিদুর রেজা সাগর সেই অসাধ্য সাধন করেছেন।

This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

নভেরা বিভুঁইয়ে স্বভূমে - আনা ইসলাম

amarboi
নভেরা বিভুঁইয়ে স্বভূমে - আনা ইসলাম
বই নিয়ে শুধুমাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, বই নিয়ে শুধু মাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, নতুন প্রজন্ম চকঝমকের আকর্ষণে বইয়ের দিক থেকে ঘুরিয়ে নিচ্ছে মুখ। আমাদের এ আয়োজন বইয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ককে অনিঃশেষ ও অবিচ্ছিন্ন করে রাখা। আশাকরি আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এই ইচ্ছা আরোও দৃঢ় হবে। দুনিয়ার পাঠক এক হও! বাংলা বই বিশ্বের বিবিধ স্থানে, সকল বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য হোক! সাধ্যের মধ্যে থাকলে বইটি কিনবেন এই প্রত্যাশা রইলো।
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

শেষ চিঠি - আয়েশা ফয়েজ

amarboi

শেষ চিঠি
আয়েশা ফয়েজ

আলোচনাটি লিখেছেনঃ ইয়াদিরা আমরান।

“আমার এত আদরের বাচ্চাটি আমাকে ছেড়ে তুমি কোথায় গেলে”─ লেখাটির শুরু এক দেহত্যাগী সন্তানের প্রতি মমতাময়ী মায়ের। এখানে মা আয়েশা ফয়েজ আর সন্তান স্বনামধন্য লেখক হুমায়ূন আহমেদ। একজন মায়ের ছটফটানি, অস্থিরতা, কষ্ট, দুঃখ, যন্ত্রনা, একাকীত্ব, নিঃঙ্গতা─ বিষয়গুলো লেখায় ক্রমে প্রকাশ পেয়েছে। বিষয়বস্তুতে ভাষিক অলংকার, ঘটনার প্লট বা সময়ের গতি কিছুই নেই। সন্তানের অকাল প্রস্থান যেন অবলা এক মাকে থামিয়ে দিয়েছে নিরন্তর। একজন সাদাসিধা মানুষের সরল হৃদয়ের ভাবটুকু কাগজের পাতায় প্রকাশমাত্র।
সন্তান হয়েও হুমায়ূন তাঁর মার কাছে ছিল বন্ধু, ক্ষেত্রবিশেষে অভিভাবক। লেখায় নানা ঘটনার বর্ণনায় তাই উঠে আসে। এক জায়গায় বলছেন─ “জীবনে এই প্রথমবার এবং এই শেষবার তোমার কোনো একটা মতামতে আমার কিছু বলার ছিল না। আমাদের ছোট সুখ-দুঃখের জীবনে আমার সাথে সবসময় সবকিছু নিয়ে কথা হতো। আমি সবসময় তোমার মত মেনে নিতাম, আমার এত বুদ্ধিমান একজন ছেলে, তার মতের বাইরে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।”
বৃদ্ধা মা আয়েশা ফয়েজ নিজ মনে একটি ছবি এঁকে রেখেছিলেন নিজ মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানেরা কে কি করতে পারে, হুমায়ূন কী করতে পারে এই সব নিয়ে। তিনি ধারণাই করতে পারেনি তার আদরের সন্তান, মানিক, নদীয়ার চাঁদ হুমায়ূন ফাঁকি দিয়ে তার আগে সবাইকে পর করে চলে যাবেন। সেই ছবিটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় একটি শিশুসন্তান অভিভাবকের কাছে যেমন করে আক্ষেপ করে, তিনিও মৃত সন্তান হুমায়ূনের কাছে তেমনি করে আক্ষেপ করেছেন।
লেখায় ছেলে হুমায়ূনের প্রতি কয়েকটি জিজ্ঞাসা ছিল। জীবিত অবস্থায় জিজ্ঞাসা করতে পারেন নি এমন ও মৃত্যুর পর কিছু ঘটনাপ্রেক্ষিতে জন্ম নেওয়া জিজ্ঞাসা এমন। কবর দেওয়া নিয়ে মতান্তরের ঘটনায় চলে যাওয়া ছেলেকে প্রশ্ন করেছেন,
“তুমি যখন জীবিত ছিলে, কিংবা যখন মারা গিয়েছ দেশের মানুষ সব সময়েই তোমাকে শ্রদ্ধা করেছেন, ভালোবেসেছে। তুমি নাকি বলেছ তুমি বুদ্ধিজীবীদের কবরস্থান পছন্দ করো না─কিন্তু তুমি নিজেই তো বুদ্ধিজীবী। তুমি নাকি বলেছ তুমি বনানী কবরস্থানও পছন্দ করো না, তুমি যেখানে যাচ্ছ সেখানে তো তুমি ইলেকশান করবে না, গানের জলসা করবে না। আর যাই হোক তোমার শেষ কথাটি তো এক রকম হবে, এটি তিন রকম হলো কেন?”
“আমার এত সৌভাগ্যবান ছেলে তুমি, জীবনের শেষ সময়টিতে কেন এমন হলো? তোমার নিজের নুহাশ পল্লী ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া জায়গা ছিল, মোহাম্মদপুরে জায়গা ছিল, সেন্ট মার্টিনে বাড়ি ছিল, ধানমন্ডিতে বাসা ছিল, বসুন্ধরায় জায়গা কেনা ছিল, তাহলে তোমার ডেথ সার্টিফিকেটে কেন, তোমার নিজের কোনো একটি জায়গার নাম না লিখে ‘গুলশান’ লেখা হলো? যে নুহাশ পল্লী নিয়ে পরে এত হইচই, সেই নুহাশ পল্লী তখন কোথায় ছিল? তোমার এত কিছু ছিল কিন্তু যখন পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়ার সময় হলো তখন হঠাৎ করে কেন পুরোপুরি নিঃস্ব মানুষ হয়ে শূন্য হাতে বিদায় নিতে হলো?”
তাঁর বড় সন্তান হুমায়ূনের অকাল প্রয়াণ তাঁর মনোজগতকে বেশ নাড়া দেয়, যার ফলস্বরূপ তার লেখায় মৃত মানুষ─ বাবা-মা, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ স্বামী, মৃত তিন ভাই, হুমায়ূনের প্রথম পুত্র সন্তান রাশেদের প্রসঙ্গ এসেছে বহুবার। তাদের সাথে দেখা করার কথা, কে কি বলল, বাবাকে চেনা গেল কিনা, বাবা হুমায়ূনকে চিনতে পেরেছে কিনা, নানির সাথে দেখা হয়েছে কিনা ঘুরেফিরে এসেছে বারবার।
একজন মায়ের সন্তান বাঁচানোর আকুতি যেন নিয়তির কাছে সমর্পিত। হুমায়ূন-সৃষ্ট চরিত্র বাকের, টুনীদের যেমন হুমায়ূন-সৃষ্ট নিয়তিতেই সমর্পিত হতে হয়েছে অন্যজনদের চাওয়া ছিল গৌণ, তেমনি মা,পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, সাড়া দেশবাসী চাওয়ার পরও হুমায়ূনকে তার নিয়তির কাছে সমর্পিত হতে হয়েছে। এক অসহায় মা নিজ মনকে যেন এই বুঝিয়েই প্রবোধ দিয়েছেন বারবার।



This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

একজন কমলালেবু - শাহাদুজ্জামান

একজন কমলালেবু - শাহাদুজ্জামান

একজন কমলালেবু - শাহাদুজ্জামান
বরিশালের নদী, জোনাকি ছেড়ে তাঁকে পা রাখতে হয়েছে আদিম সাপের মত ছড়িয়ে থাকা কলকাতার ট্রামলাইনের ওপর। পৃথিবীর দিকে তিনি তাকিয়েছেন বিপন্ন বিস্ময়ে। বলেছেন সন্ধ্যার সব নদী ঘরে ফিরলে থাকে অন্ধকার এবং মুখোমুখি বসবার নাটোরের এক নারী। জানিয়ে দিয়েছেন জ্যোৎস্নায় ঘাইহরিণীর ডাকে ছুটে আসা, শিকারীর গুলিতে নিহত হরিণের মত আমরা সবাই। সস্তা বোর্ডিংয়ে উপার্জনহীনভাবে দিনের পর দিন কুঁচো চিংড়ি খেয়ে থেকেছেন। তবু পশ্চিমের মেঘে দেখেছেন সোনার সিংহ। পিঁপড়ার মত গুটি গুটি অক্ষরে হাজার হাজার পৃষ্ঠা ভরেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ডায়েরি লিখে। সেগুলোর সামান্য শুধু জনসমক্ষে এনেছেন জাদুকরের রুমালের মত, বাকিটা গোপনে তালাবন্দী করে রেখেছেন কালো ট্রাঙ্কে।

বাংলা সাহিত্যের প্রহেলিকাময় এই মানুষ জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে এক নিবিড় বোঝাপড়ায় লিপ্ত হয়েছেন এ সময়ের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামান তাঁর একজন কমলালেবু উপন্যাসে।





This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

গল্পের জাদুকর - আহসান হাবীব

amarboi

গল্পের জাদুকর
আহসান হাবীব

বড়ভাই হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে ছোট ভাই আহসান হাবীবের স্মৃতিচারণ। হুমায়ূন আহমেদের ভাষায় ‘স্মৃতি সে সুখেরই হোক বা বেদনারই হোক তা সবসময় বেদনার...।’ এই স্মৃতি চারণমূলক খণ্ড খণ্ড রচনায় সেটাই ফুটে উঠেছে যেন। একই সঙ্গে আহসান হাবীব তা দাদাভাইয়ের নিজস্ব হিউমারও কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। যা সবাইকে আনন্দ দিবে বলেই আমাদের ধারণা। আর আমারতো জানিই কিংবদন্তি লেখক হুমায়ূন আহমেদ একজন অসম্ভব আনন্দ প্রিয় মানুষ ছিলেন।

ভূমিকা
বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে বই লিখতে হবে আমি কখনো ভাবি নি। তার চলে যাওয়ার আগে এবং পরে..... তাকে নিয়ে কিছু লেখা নিয়ে এই বই স্মৃতি চারণের মতই একটা ব্যাপা্র। তার একটা লেখায় ছিল ‘স্মৃতি সে সুখেরই হোক বা বেদনাই হোক তা সবসময়ই বেদনার।’ ঐ লেখাগুলোতে হয়ত সেই রকম একটা বিষয় থেকেই গেল...।
সে আনন্দপ্রিয় মানুষ ছিল তাই এই বইয়ের শেষে দিকে তাকে নিয়ে কিছু আনন্দঘন ঘটনা জুড়ে দিলাম ,পাঠকের হয়ত ভাল লাগবে।


বই নিয়ে শুধুমাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, বই নিয়ে শুধু মাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, নতুন প্রজন্ম চকঝমকের আকর্ষণে বইয়ের দিক থেকে ঘুরিয়ে নিচ্ছে মুখ। আমাদের এ আয়োজন বইয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ককে অনিঃশেষ ও অবিচ্ছিন্ন করে রাখা। আশাকরি আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এই ইচ্ছা আরোও দৃঢ় হবে। দুনিয়ার পাঠক এক হও! বাংলা বই বিশ্বের বিবিধ স্থানে, সকল বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য হোক!

This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

যখন টুনটুনি তখন ছোটাচ্চু - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

যখন টুনটুনি তখন ছোটাচ্চু  - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
যখন টুনটুনি তখন ছোটাচ্চু
মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বই নিয়ে শুধুমাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, বই নিয়ে শুধু মাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, নতুন প্রজন্ম চকঝমকের আকর্ষণে বইয়ের দিক থেকে ঘুরিয়ে নিচ্ছে মুখ। আমাদের এ আয়োজন বইয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ককে অনিঃশেষ ও অবিচ্ছিন্ন করে রাখা। আশাকরি আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এই ইচ্ছা আরোও দৃঢ় হবে। দুনিয়ার পাঠক এক হও! বাংলা বই বিশ্বের বিবিধ স্থানে, সকল বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য হোক!
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

হটলাইন - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

হটলাইন - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
হটলাইন
মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বই নিয়ে শুধুমাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, বই নিয়ে শুধু মাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, নতুন প্রজন্ম চকঝমকের আকর্ষণে বইয়ের দিক থেকে ঘুরিয়ে নিচ্ছে মুখ। আমাদের এ আয়োজন বইয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ককে অনিঃশেষ ও অবিচ্ছিন্ন করে রাখা। আশাকরি আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এই ইচ্ছা আরোও দৃঢ় হবে। দুনিয়ার পাঠক এক হও! বাংলা বই বিশ্বের বিবিধ স্থানে, সকল বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য হোক!
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবী - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবী - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবী
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
"ঘুমিয়ে আছি, না জেগে আছি জানি না। আবছা অন্ধকারে অনেকে চুপচাপ বসে আছে। তার মাঝে শুধু ইঞ্জিনের গর্জন। যাচ্ছি তো যাচ্ছি। মনে হয় বুঝি যোজন যোজন পার হয়ে গেছে।
এক সময় ইঞ্জিনের শব্দ থেমে গেল। নিশ্চয়ই ঢাকা পৌঁছে গেছি। মানুষজন ছোটাছুটি করছে। আমাকে নামানো হয়েছে হেলিকপ্টারে থেকে। নামিয়ে আমাকে একটা ট্রলি বা স্ট্রেচারে শোয়ানো হয়েছে। ওপরে খোলা আকাশ সেই আকাশে একটা ভরা চাঁদ। কী অপূর্ব একটি দৃশ্য! আমি সেই চাঁদটির দিকে বুভুক্ষের মতো তাকিয়ে রইলাম! পৃথিবী এতো অবিশ্বাস্য সুন্দর?
খোদা আমাকে এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীটিকে আরো কয়দিন দেখতে দেবে?"

বই নিয়ে শুধুমাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, বই নিয়ে শুধু মাত্র বই নিয়েই আমাদের এই প্রয়াস। ধ্বংস ও ধসের সামনে বই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। বই আমাদের মৌলিক চিন্তাভাবনার শাণিত অস্ত্র। বইয়ের অস্তিত্ব নিয়ে চারিদিকে আশঙ্কা, নতুন প্রজন্ম চকঝমকের আকর্ষণে বইয়ের দিক থেকে ঘুরিয়ে নিচ্ছে মুখ। আমাদের এ আয়োজন বইয়ের সাথে মানুষের সম্পর্ককে অনিঃশেষ ও অবিচ্ছিন্ন করে রাখা। আশাকরি আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এই ইচ্ছা আরোও দৃঢ় হবে। দুনিয়ার পাঠক এক হও! বাংলা বই বিশ্বের বিবিধ স্থানে, সকল বাংলাভাষীর কাছে সহজলভ্য হোক!
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

একাত্তর এবং আমার বাবা - হুমায়ূন আহমেদ ও মুহম্মদ জাফর ইকবাল

একাত্তর এবং আমার বাবা - হুমায়ূন আহমেদ

একাত্তর এবং আমার বাবা - হুমায়ূন আহমেদ ও মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ব্যক্তিগত ডায়েরি থেকে এ বইটি তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদের বাবা ফয়জুর রহমান। তাঁর জীবনের শেষ সময়টুকু ধরে রাখার জন্য লিখতে শুরু করেছিলেন হুমায়ূন। পরবর্তী অংশটুকু লিখিয়ে নিয়েছিলেন অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবালকে দিয়ে—যেখানে আছে তাঁদের পরিবারের বিপর্যয়ের কাহিনি। এ বইটির বিশেষ আকর্ষণ এর লেখক মূলত দুজন।
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

ব্ল্যাক হোলের বাচ্চা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

ব্ল্যাক হোলের বাচ্চা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ব্ল্যাক হোলের বাচ্চা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
কাজেই দেখাই যাচ্ছে এখন আমাদের স্কুলের কোনো নাম ডাক না থাকতে পারে কিন্তু আজ থেকে পনেরো কিংবা বিশ বছর পরে আমাদের স্কুল থেকে অনেক বিখ্যাত (কিংবা কুখ্যাত) মানুষ বের হবে। ফুটবল প্লেয়ার, দার্শনিক, সিরিয়াল কিলার, মাদক সম্রাজ্ঞী, নায়কা, পীর, শীর্ষ সন্ত্রাসী, সাহিত্যিক কিংবা নেতা এরকম অনেক কিছু তৈরী হলেও এই স্কুল থেকে কোনো বৈজ্ঞানিক বের হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করে দেখা গেল আমাদের হাজী মহব্বতজান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন খাঁটি বৈজ্ঞানিক বের হওয়ারও একটা বিশাল সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। তবে এটাকে সম্ভাবনা বলব না আশংকা বলব সেটাও অবশ্যি আমরা এখনো ঠিক জানি না।

This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

এই যন্ত্র লইয়া আমরা কী করিব - আনিসুল হক

এই যন্ত্র লইয়া আমরা কী করিব - আনিসুল হক
এই যন্ত্র লইয়া আমরা কী করিব - আনিসুল হক

This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

হরিশংকর জলদাশের এপিকধর্মী উপন্যাস 'একলব্য'।

amarboi 'একলব্য' - হরিশংকর জলদাশ

হরিশংকর জলদাশের এপিকধর্মী উপন্যাস 'একলব্য'।
এক.
সকাল। উজ্জ্বল, আলোকিত।
‘বাবা, আপনি যতই নিষেধ করেন. আমি মানব না।’
চমকে উঠলেন হিরণ্যধনু। বললেন, মানবে না! কেন মানবে না আমার নিষেধ!’
আপনার নিষেধ আমার বাসনা পূরণের অন্তরায়।
বাসনা পূরণের অন্তরায়! আমার সাবধানবাণী তোমার বাসনা পূরণের অন্তরায়! তুমি এসব কী বলছ একলব্য? চিত্তচাঞ্চল্যে হিরণ্যধনুর কণ্ঠ বুজে এল।
পিতার কথা শুনে একটুখানিও ভড়কাল না একলব্য। কণ্ঠকে আরও দৃঢ় করে বলল, “পিতা পুত্রের উন্নতি চান, সর্বদা। এটাই মানববিধি। আপনি তার ব্যতিক্রম। পিতা হয়ে আপনি আমার উন্নতি চাইছেন না। উপরন্তু উন্নতির পথে অন্তরায় হয়ে দাড়াচ্ছেন।”
হিরণ্যধনুর পাশে দাড়িয়ে ছিলেন বিশাখা। বিশাখা একলব্যের মা। পুত্রের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা শুনে বিশাখা স্তম্ভিত। ঘোরাচ্ছন্ন চোখ বড় করে বিশাখা একলব্যের উদ্দেশে কিছু একটা বলতে চাইলেন। কিন্তু তার গলা দিয়ে গরগর আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই বের হল না।
হিরণ্যধনু বাম হাত তুলে বিশাখাকে করলেন। তারপর মিয়মাণ কষ্ঠে একলব্যকে বললেন, ভুল বুঝেছ। পুত্র। পিতা কখনো পুত্রের উন্নয়নপথের কাটা হয় না। আমিও তোমার সমৃদ্ধির অন্তরায় নই। তোমাকে সতর্ক করে পিতার কর্তব্য পালন করছি মাত্র।
"সতর্ক করছেন!" এবার একলব্যের বিস্ময়ের পালা। এমন কী বিপদের আভাস পাচ্ছেন যে, আমাকে সাবধান করতে হচ্ছে আপনাকে?"
হিরণ্যধনু বললেন, ‘তুমি ভুল করতে যাচ্ছ পুত্র। চরম ভুল করতে যাচ্ছ।
‘একজন মহান অস্ত্রগুরুর কাছে একজন তরুণ শিক্ষা গ্রহণ করতে যেতে চাইছে, এতে ভুলের কী আছে বাবা?
আছে, আছে।' বলে নিশ্চুপ হলেন হিরণ্যধনু।
পিতা আরও কিছু বলেন কি না অপেক্ষায় থাকল একলব্য।
হিরণ্যধনু তাঁর নীরবতা ভাংচ্ছেন না দেখে একলব্য নিচু স্বরে আবার আবার জিজ্ঞেস করল, কী ভুল বাবা?”
হিরণ্যধনু যেন একলব্যের কথা শুনতে পাননি। গবাক্ষ দিয়ে দূর-পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে থাকলেন।
বিশাখা স্বভ শান্তস্বরে বললেন, কিছু বলছ না যে! একলব্য তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করছিল।
সহধর্মিণীর দিকে কোমল চোখে তাকালেন হিরণ্যধনু। তারপর সেই চোখ ফেরালেন একলব্যের দিকে। বললেন, তোমার জীবনপথে অন্তরায় সৃষ্টি করার জন্য আমি তোমাকে সতর্ক করছি না। ভুলের মাশুল গোনার আগে তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি মাত্র। তুমি যেও না দ্রোণাচার্যের কাছে। তুমি ব্যর্থ হবে। তোমার মনস্কামনা পূর্ণ হবে না।’
একলব্য অস্থির গলায় দ্রুত বলে উঠল, আপনি কি আমাকে অভিশাপ দিচ্ছেন বাবা?
এবার প্রশান্ত চোখে অনেকক্ষণ একলব্যের দিকে তাকিয়ে থাকলেন হিরণ্যধনু। তারপর স্নেহময় কষ্ঠে বললেন, তুমি আমার পুত্র, জীবনের অবলম্বন। উত্তরাধিকারের মূলভূমি তুমি আমার । তোমার জন্য কি আমার অভিসম্পাত সাজে?'
তাহলে, তাহলে আমাকে বাধা দিচ্ছেন কেন বাবা?
বাধা দিচ্ছি- তোমার ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি বলে।’ ‘কী ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন? মন্দ কিছু কি?” অস্পষ্ট শ্লেষ একলব্যের কণ্ঠে একটু করে ঝিলিক দিয়ে উঠল বুঝি।
পুত্রের প্রশ্নের কোনো উত্তর দিলেন না হিরণ্যধনু। সারা মুখে ইতস্তত ভাব। এক গভীর উদ্বেগ তাকে ঘিরে ধরেছে। পুত্রের প্রশ্নের উত্তর দিলে সত্যটা বেরিয়ে আসবে। এই সত্য একলব্যের হৃদয় ভেঙে চুরমার করে দেবে। তার চেয়ে মৌন থাকাই উত্তম। হিরণ্যধনু ভাবলেন- একলব্য নাছোড়। দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রচালনা শিখবার জন্য সে যাবেই। তার কথাবার্তা আর আচরণ বলছে- এ ব্যাপারে পিতার নিষেধ শুনতে সে রাজি নয়। সুতরাং বাধার প্রাচীরকে আরও সুদৃঢ় করা উচিত হবে না। হিরণ্যধনু ঠিক করলেন- একলব্যকে আর বাধা দেবেন না তিনি। একলব্য দ্রোণাচার্যের কাছে যেতে চায় যাক। একলব্য যুবক। তারুণ্যের অনুরণন তার শিরায় শিরায়। উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাকে উদ্বেল করেছে। পিতার নিষেধ যে যথার্থ কারণে, তা খুলে বললেও একলব্য বুঝবে না; বুঝতে চাইবেও না এই মুহুর্তে। তাই একলব্যকে দ্রোণাচার্যের কাছে যেতে দেওয়া উচিত। ঠেকে শিখুক সে।
একটা দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করলেন হিরণ্যধনু। তারপর বললেন, তুমি পুস্তুত হতে থাক পুত্র পুরোহিত ডেকে আমি তোমার যাত্রার দিনক্ষণ নির্ধারণ করে দিচ্ছি। তুমি আচার্য দ্রোণের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে যথার্থ ধনুর্ধর হয়ে রাজধানীতে ফিরে এস। রাজপ্রাসাদ প্রস্তুত থাকবে তোমাকে স্বাগত জানাবার জন্য । আমরা তোমার ফেরার দিনের অপেক্ষায় থাকব।'
স্ত্রী বিশাখার দিকে তাকিয়ে কথা শেষ করলেন হিরণ্যধনু। পিতার কথা শুনে বিস্মিত চোখে কিছু একটা বলতে চাইল একলব্য। হিরণ্যধনু তার ডান হাতটা তুলে একলব্যকে আর কিছু বলতে নিষেধ করলেন। তার চোখেমুখে তখন বেদনা আর বাৎসল্যের মাখামাখি।

দুই
অপরাতু। রোদের গায়ে পাতলা কুয়াশার আস্তর।
নৃপাসনে বসে আছেন অনোমদশী। অনোমদশী মহারাজ হিরণ্যধনুর পিতা। দীর্ঘদেহী। বয়োভারে কিছুটা ন্যুজ, পক্ক কেশ । চামড়া সামান্য কুঁচকে গেছে। সবল পেশি এখনও অনোমদর্শীর শরীরে বর্তমান। কুচকুচে কালো শরীরে অপরাহ্লের ছেঁড়া রোদ ঝিলিক দিচ্ছে।
পুত্র হিরণ্যধনু রাজকার্যে দক্ষ হয়ে উঠলে একদিন পুত্ৰহস্তে রাজ্যভার সমর্পণ করলেন তিনি।
প্রবীণ পারিষদরা বাধা দিয়েছিলেন, “মহারাজ, এখনো আপনার শরীরে নদীর খরস্রোত, আপনাকে সামনে দেখে পশুরাজ এখনো লেজ গুটিয়ে পালায়। আপনার শাসনে এই অরণ্যরাজ্যের সকল প্রজা পরম সুখে আছে। আপনি এখনো একজন সক্ষম বিচক্ষণ বিচারক । আপনি কেন এখন রাজ্যভার যুবরাজ হিরণ্যধনুর হাতে তুলে দেবেন? আপনি আরও কিছু বছর রাজ্য শাসন করুন।'
অনোমদশী পারিষদদের কথা শুনে বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকলেন। তারপর বললেন, হিরণ্যধনু যুবক হয়ে উঠেছে। তার রাজকার্যদক্ষতা প্রশংসনীয়। কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে শিখে গেছে হিরণ্যধনু। তাকে বিয়ে করিয়েছি। ও আমার একমাত্র পুত্র। আমার বয়স হয়ে গেছে। রাজকাৰ্য পরিচালনার জন্য যে দম আর বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন, তার কিছুটা ঘাটতি আমার মধ্যে লক্ষ করছি। তা ছাড়া ...।'
সেনাধ্যক্ষ অনোমদশীর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বললেন, ‘তা ছাড়া! তা ছাড়া কী মহারাজ?
‘বলছি। পুত্র উপযুক্ত হয়ে উঠলে মাতা-পিতার মন তৃপ্তিতে ভরে ওঠে। হিরণ্যধনু উপযুক্ত হয়ে উঠেছে। তাকে রাজ্যভার দিয়ে আমি নিশ্চিত হতে চাই যে, সে একজন সুবিবেচক, সুশাসক। আমার সকল ইন্দ্রিয় সক্রিয় থাকতে থাকতে হিরণ্যকে রাজা ঘোষণা করে তার রাজ্যশাসন প্রণালিটা আমি দেখে যেতে চাই। তোমরা আমাকে বাধা দিও না। মৃত্যুর আগে এই তৃপ্তিটুকু পেতে চাই- হিরণ্যধনু ব্যাধসমাজের একজন খ্যাতিমান রাজা।’
তার কথা শুনে সেদিনের রাজসভার সকল পারিষদ আর কথা বাড়াননি।
শুভক্ষণে অনোমদর্শী হিরণ্যধনুকে রাজসিংহাসনে বসিয়েছিলেন।
রাজপ্রাসাদের অভ্যন্তরের একটি কক্ষকে রাজকীয়ভাবে সজ্জিত করিয়েছেন হিরণ্যধনু। রাজসভার আদলে এই কক্ষটি নির্মাণ করা হয়েছে। পাশেই অনোমদর্শীর শয্যাকক্ষ। একা থাকেন তিনি ওই কক্ষে। বেশ ক'বছর আগে রাজমাতার মৃত্যু হয়েছে। পুত্রকে রাজ্যভার অর্পণের পর রাজপিতা এই কক্ষে বাস করা শুরু করেছেন। রাজার শয্যাকক্ষটি পুত্র হিরণ্যধনুর অনুকূলে ছেড়ে দিয়েছেন অনোমদর্শী। কারণ এখন তিনি মহারাজা নন, রাজপিতা মাত্র।
রাজপিতা হলে কী হবে, রাজকার্য পরিচালনায় অথবা পরিবারকেন্দ্রিক কোনো সংকট দেখা দিলে হিরণ্যধনু পিতার পরামর্শ গ্রহণ করেন। পিতার শয্যাকক্ষের পাশের রাজকীয় কক্ষে এসে বসেন। পিতা এসে নৃপাসনে বসেন, পুত্র সাধারণ একটা আসন গ্রহণ করে পিতার পায়ের কাছে বসেন।
আজ হিরণ্যধনুর পরিবারে সংকটকাল উপস্থিত। একলব্য হস্তিনাপুর গমনে উদ্যত। সে দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রবিদ্যা শিখবার জন্য বেপরোয়া। পুত্রকে যাবার অনুমতি দিয়েছেন বটে। তারপরও মনটা বড় খচখচ করছে। পিতার পরমার্শই শিরোধার্য। তাই আজ অপরাহ্নে পিতার কাছে এসেছেন হিরণ্যধনু উপদেশের জন্য, পরামর্শের জন্য। হিরণ্যধনু এই মুহূর্তে কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
পিতা কক্ষে প্রবেশ করলে আসন ছেড়ে উঠে দাড়ালেন হিরণ্যধনু। অনোমদশী বললেন, বস, বস। নিজে আসন গ্রহণ করে পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন- ভীষণ একটা উদ্বিগ্নতা হিরণ্যধনুর চোখেমুখে। কী রকম যেন বিপর্যন্ত অবস্থা তার! কঠিন সমস্যাতেও বিচলিত হয় না যে, তাকে বিষগ্ন বিচলিত দেখে অনোমদশী নিজের মধ্যেও চঞ্চলতা অনুভব করলেন। নিজেকে সংযত করে বললেন, ‘তুমি কি কোনো সংকটে পড়েছ হিরণ্য?
হিরণ্যধনু বিব্রতমুখে বললেন, ‘হ্যা, বাবা।’
রাজ্য সংক্রান্ত কিছু কি?
না বাবা।
‘তাহলে!’ বিস্মিত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন অনোমদর্শী।
'পরিবার সংক্রান্ত।’ মাথা নিচু করে উত্তর দিলেন হিরণ্যধনু।
‘পরিবার সংক্রান্ত! তোমার পরিবারে আবার কী সংকট? তোমার মা নেই, মানি। বাবা তো আছি। তোমার ঘরে কোনো যুবতি কন্যা নেই। যুবতি কন্যারা পারিবারিক সংকট তৈরি করে। তা ছাড়া তোমার তো একটি মাত্র সন্তান একলব্য। কৈশোর ছাড়িয়ে তরুণ হয়ে উঠেছে সে। বিশ বছরের যুবা। বিদ্যার্জন সমাপন করেছে সে। ধীর, স্থির। তবে আবেগটা তার একটু বেশি।’ ধীরে ধীরে কথাগুলো বলে গেলেন অনোমদর্শী।





This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

বাদশাহ নামদার - হুমায়ূন আহমেদ

বাদশাহ নামদার - হুমায়ূন আহমেদ
বাদশাহ নামদার - হুমায়ূন আহমেদ
বাদশাহ নামদার ইতিহাস আশ্রিত ফিকশন। ইতিহাসের কোনো চরিত্রকে নিয়ে, সরাসরি নিয়ে, এই প্রথম (এবং এই শেষ?) কোনো উপন্যাস রচনা করলেন হুমায়ূন আহমেদ। সেটা আবার হুমায়ূন মীর্জার মতো ‘বহু বর্ণে’র একজন সম্রাটকে নিয়ে। কবি, চিত্রকর, সংগীতরসিক, নেশাসক্ত, একসেনট্রিক এবং তীব্র আবেগপূর্ণ এই সম্রাটের চরিত্র। ‘রক্তের রঙের চেয়ে বৃক্ষের সবুজ রং কি কম সুন্দর?...’ গান শুনে মুগ্ধ হয়ে নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করে দিতে পারেন ইনি, ক্ষমা করে দিতে পারেন নিজের রক্তপিপাসু ভাইকে, কথা দিয়েছিলেন বলে, আধা দিনের জন্য সম্রাটের আসনে বসাতে পারেন সামান্য এক ভিস্তিঅলাকে।বাদশাহ নামদার বইয়ের ১৩৬ পৃষ্ঠায় স্ত্রী হামিদা বানু এই সম্রাটকে বলছেন, ‘আপনি দুর্বল সম্রাট; কিন্তু অত্যন্ত সবল একজন কবি।’ ৭৩ পৃষ্ঠায় শত্রু শের খাঁ (শের শাহ) বলছেন, ‘তিনি মহান মানুষদের একজন। এই মানুষটির অন্তর স্বর্ণ খণ্ডের মতো উজ্জ্বল। সেখানে কলুষতার কণামাত্রও নেই।’ হুমায়ূন আহমেদের সম্রাট হুমায়ূন মূলত এই ‘মহান মানুষদের একজন।’ সম্রাট হয়েও রক্ত-মাংসের অসাধারণ একজন মানুষ।
কাহিনিতে চরিত্র অসংখ্য। সম্রাট হুমায়ূন এবং তাঁর আত্মীয়-পরিজন, সেনাপতি বৈরাম খাঁ, জওহর আবতাবচি, শত্রু শের শাহ, হেরেমের বাদী আসহারি, আচার্য হরিশংকর, পারস্য-সম্রাট, অম্বা...। কাহিনির শাখা-প্রশাখারও শেষ নেই। মনে রাখতে হবে, এই কাহিনি বিশাল মোগল সাম্রাজ্যের একটি অধ্যায়। সিদ্ধ না হলে নাড়াচাড়া দুরূহ। এ ধরনের ঐতিহাসিক কাহিনি নিয়ে যখন উপন্যাস লেখেন কোনো লেখক, কী করেন? পুনর্নির্মাণ করেন আখ্যানের, পুনর্জন্ম দেন প্রতিটি চরিত্রের। পুনর্জন্ম। এ না হলে হয় না। প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় না কাহিনির। আর সময়। সময়কেও পল অনুপল ধরে আবার নির্মাণ করতে হয় লেখককে। দূর অতীতকাল পুনর্নির্মাণ। সামান্য বিচ্যুতি হলেও মুশকিল। আর, পিরিয়ড পিসের সম্রাট আকবরকে সুদর্শন হূতিক রোশন হলেও হয় না। সে সিনেমা হোক কিংবা সাহিত্যে। বিশ্বস্ততা অতীব জরুরি। বাদশাহ নামদার-এ হুমায়ূন আহমেদ এ ক্ষেত্রে পূর্ণমাত্রায় সতর্ক এবং বিশ্বস্ত। চরিত্র-চিত্রণ, কাহিনি বিন্যাসে। সেই সময়ের পুনর্নির্মাণে। তাঁর অজস্র রচনার মধ্যে বাদশাহ নামদার এ জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। ‘রং চড়াতে’ হয়নি বলেছেন কিন্তু রঙের প্লেট তাঁর হাতে এবং আশ্চর্য পরিমিত তিনি। চমৎকার উদাহরণ হতে পারে, সতীদাহ প্রথার দৃশ্যটি কিংবা অম্বা, আকিকার মৃত্যু, কিংবা জোছনা রাতে পত্নী হামিদা বানুর সঙ্গে সম্রাট হুমায়ূনের কথোপকথনের বিষণ্ন দৃশ্য। মনে হবে লেখক স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন সব দৃশ্যে। ভাষা নিয়েও এই উপন্যাসে যথেষ্ট নিরীক্ষাপ্রবণ হুমায়ূন আহমেদ। আলাদা আদলের এক ভাষায় লিখেছেন, সচরাচর যে ভাষায় তিনি লেখেন না। এটা কাহিনির প্রয়োজনেই। এবং অব্যর্থ হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর ভাষা এমনিতেই মায়াবী। গাঁওগেরামের মানুষেরা যে রকম, বকুল ফুলের গাছবাহিত চৈত্রের আশ্চর্য হাওয়ার কথা বলেন, তেমনি একটা মায়া থাকে তাঁর ভাষায়। বাদশাহ নামদার-এও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। তবে বাদশাহ নামদার-এর ভাষা একই সঙ্গে রুদ্ধশ্বাসও। থ্রিলারের মতো। ঘটনার পর ঘটনা এবং চরিত্রের পর চরিত্র আসছে, একটা কোথাও তাল লয় কাটেনি একটুও।
লক্ষণীয় আরেকটা বিষয়। সম্রাট হুমায়ূনের মৃত্যুদৃশ্য। লেখক এর বিতংবর্ণনায় যাননি। ‘পরিশিষ্টে’র একটা বাক্যাংশ শুধু, ‘সম্রাটের মৃত্যুর পর...।’ বিশেষ তাৎপর্য মণ্ডিত এটাও। বোঝা যায় লেখক নিশ্চিত যে কতটুকু তিনি লিখবেন এবং কতটুকু না লিখবেন।
সব মিলিয়ে বাদশাহ নামদার একটা মোগল মিনিয়েচার পেইন্টিংয়ের মতো। সূক্ষ্ম, ডিটেইল। পরিমিত, পরিণত এবং দ্যুতিময়।
বইয়ের ফ্ল্যাপে একটা শের আছে,
‘যদিও দর্পণে আপন চেহারা দেখা যায়
কিন্তু তা পৃথক থাকে
নিজে নিজেকে অন্যরূপে দেখা
আশ্চর্যের ব্যাপার।
এ হলো আল্লাহর অলৌকিক কাজ।’
সম্রাট হুমায়ূনের লেখা শের এটা। সম্রাট না, কবি হুমায়ূন। কবি, চিত্রকর, শিল্পের সমঝদার, মূলত একজন মানুষের কাহিনিই বিধৃত বাদশাহ নামদার-এ। মানুষের জয় হোক। আফসোস বইটি প্রকাশের পর হুমায়ূন আহমেদ পত্রিকায় মুদ্রিত এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এ ধরনের লেখা আর তিনি লিখবেন না!
যাক। কিছু আফসোসও আসলে মধুর। আপাতত এই আফসোস বাদ দিয়ে, ‘আসুন, আমরা বাদশাহ নামদারের জগতে ঢুকে যাই। মোগল কায়দায় কুর্নিশ করে ঢুকতে হবে কিন্তু।
নকিব বাদশাহর নাম ঘোষণা করছে—
“আল সুলতান আল আজম ওয়াল...।”
কুর্নিশ বাদশাহ নামদার-এর লেখককে।’
আলোচনাটি লিখেছেন ধ্রুব এষ।

This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

হিজিবিজি - হুমায়ূন আহমেদ

Hijibiji - Humayun Ahmed হিজিবিজি - হুমায়ূন আহমেদ
'হিজিবিজি' শব্দের আভিধানিক অর্থ 'আঁকাবাঁকা রেখাযুক্ত অর্থহীন অস্পষ্ট লেখা'। অর্থাৎ নানা রেখার সঙ্গে নানা ভাবনার সাঁকোবন্ধন। তবে ভাবনাগুলো হবে শিশুমনের মতো আনন্দময়। বড়রা যেমন কোনো কিছু পরিকল্পনা করে, মনের ভেতর একটা অবয়ব এঁকে, নকশা কেটে লেখাটা দাঁড় করান, জনপ্রিয় কথাসাহিতিক হুমায়ূন আহমেদের রচনা 'হিজিবিজি' সে রকম নয়। তবে কোন রকমের? যদি এককথায় বলতে হয় তবে বলব, 'সাদা কাগজে কলম ছেড়ে দেওয়া লেখা।' 'হিজিবিজি' গল্প নয়, উপন্যাস নয়। ভ্রমণকাহিনী, সায়েন্স ফিকশনও নয়। আত্মজীবনীও নয়। তবে একে জার্নাল বলা যেতে পারে। গল্প করতে করতে লেখক চলে যাচ্ছেন গল্পের ভেতরে, উপন্যাসের অন্তরে। কোনো একটি বিষয় নিয়ে লিখতে লিখতে লেখক চলে যাচ্ছেন, ওই বিষয়ের ইতিহাসে, বিষয়ের সঙ্গে তাঁর অতীত স্মৃতিতে। ফলে এতে পাওয়া যাচ্ছে নানা ফলের নানা ফুলের ছোঁয়া। 'হিজিবিজি' বইটিতে স্থান পাওয়া রচনাতে তাঁর বহুমাত্রিক পরিচয় পাওয়া যায়। আত্মজৈবনিক কিছু রচনা আছে, সেখানে আছে ব্যক্তিগত স্মৃতি ও নিজস্ব অনুভূতি। সমকালীন সমাজ ও রাজনীতি বিষয়েও আছে একাধিক রচনা। এতে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় মিলবে। ক্রিকেটের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং দেশের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে একটি লেখায়। অন্য কিছু লেখায়ও বাংলাদেশ আর বাঙালি স্মৃতির প্রতি প্রকাশ পেয়েছে, তাঁর অসামান্য দরদ, অনুরাগ। বইটির সর্বশেষ লেখা 'মাইন্ড গেইম'। এতে ফুটে উঠেছে জীবনের এক গভীর বেদনাবোধ। বইটি বিচিত্র বিষয়ে লেখা হলেও সব রচনাই রসবোধ ও অসাধারণ রচনাশৈলীতে সমৃদ্ধ। আশ্চর্য সারল্য আর মনকাড়া উপস্থাপনার যে বৈশিষ্ট্য একান্তই হুমায়ূন আহমেদের, তাঁর পরিচয় পাওয়া যাবে বইটির প্রতিটি রচনায়। ১২৮ পৃষ্ঠার এই বইটিতে স্থান পেয়েছে লেখকের নানা সময়ে লেখা মোট ২৬টি রচনা। বইটির সূচনা কথায় লেখকের অনুজ বন্ধু ও অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম লিখেছেন, 'এই গ্রন্থ প্রকাশের প্রেক্ষাপট খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। হুমায়ূন আহমেদ জীবদ্দশায়ই এই গ্রন্থের পরিকল্পনা করা হয়। ধ্রুব এষ গ্রন্থটির জন্য প্রচ্ছদও তৈরি করেছিলেন। হুমায়ূন আহমেদ প্রচ্ছদ দেখে চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। দুর্ভাগ্য আমাদের, বইটি তাঁর হাতে তুলে দেওয়ার আগেই অন্তহীন এক ভ্রমণে রওনা হয়ে গেছেন তিনি, একাকী, নিঃসঙ্গ। ছাপার আগে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর প্রতিটি বইয়ের প্রচ্ছদ দেখতেন, মতামত জানাতেন। 'হিজিবিজি' তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ, যেটির প্রচ্ছদ তিনি দেখেছেন, অনুমোদন দিয়েছেন ছাপানোর। তাই গ্রন্থটির স্মারক-তাৎপর্যও কম নয়। বিচিত্র বিষয়ে শিশুদের মতো একটানা লিখে যাওয়া হলেও তা অর্থহীন অস্পষ্ট লেখা নয়। বরং তা অনেক বেশি স্পষ্ট ও সরাসরি কথার বলার রীতি। যখন যা মনে এসেছে, তিনি লিখেছেন। কার্পণ্য করেননি লেখার সঙ্গে, বিশ্বাসঘাতকতা করেননি স্মৃতির সঙ্গে। যখন লেখা থেমে গেছে, তিনি কলম থামিয়ে দিয়েছেন। পাঠক এ ধরনের লেখা পাঠের একটা অদ্ভুত মজা পাবেন। মজা পাবেন দুটি কারণে। প্রথমত বিচিত্র সব তথ্য জানার জন্য ও দ্বিতীয়ত তাঁর রসবোধের জন্য। তাঁর সৃষ্টিসম্ভার চিরকালীন ও চিরভাস্বর।





This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

ফিঙে - স্মরণজিত চক্রবর্তী

ফিঙে - স্মরণজিত চক্রবর্তী
ফিঙে - স্মরণজিত চক্রবর্তী

This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

জেনারেল ও নারীরা - আনিসুল হক

জেনারেল ও নারীরা - আনিসুল হক (বইমেলা ২০১৬) জেনারেল ও নারীরা - আনিসুল হক

রাষ্ট্রপতিতালয়, পিন্ডি, ১৯৭১
পিন্ডির রাষ্ট্রপতিতালয়, যেখানে পতিতাগণের অবাধ আসা-যাওয়া, সেখানে ড্রেন দিয়ে পানি প্রবাহিত হয় না, বয়ে চলে মদের ধারা। সারাক্ষণ ভুরভুর করে মদের গন্ধ বেরোচ্ছে ড্রেন থেকে, ঘর থেকে, টেবিল থেকে, বেশ্যাদের মুখ থেকে, রাষ্ট্রপতিতের মুখ থেকে, মেহমানদের মুখ থেকে। ড্রেনে এত মদ বয়ে যায় যে, ওখানকার ড্রেনের পোকাগুলো পর্যন্ত হাটতে পারে না, টলমল করে তাদের পা, মাছিরা উড়তে পারে না, মদালস পাখা কীভাবেই বা মেলবে তারা। সুবিস্তৃত বাগান আছে রাষ্ট্রপতিতালয়ের সামনে-পেছনে, সেখানে ফুলের গন্ধ নাই, আছে তামাকের ধোয়া। যৌনকর্মীরা সারাক্ষণ আসছে, যাচ্ছে; তাদের গা থেকে বেরোচ্ছে হালাল সুগন্ধি, যারা সারাক্ষণ ডুবে আছে মদে আর তামাকের ধোয়ায়, সুগন্ধিতে মদ থাকলে তাদের আবার চলে না, কারণ তারা হারাম পারফিউম গায়ে মাখতে পারে না, তারা ব্যবহার করে হালাল আতর। ফাকিস্তানের রাজধানী পিন্ডি। রাষ্ট্রপতিত থাকেন রাষ্ট্রপতিতালয়ে।
ইয়াহিয়া এখন তার কক্ষে। সেগুন কাঠের কারুকার্যময় দরজা ভেতর থেকে আটকানো। বাইরে অস্থিরভাবে পায়চারি করছেন রাষ্ট্রপতিতালয়ের কর্মকর্তারা ।
সুলতান শাহরিয়ার বললেন, ‘তোমাকে বারবার করে ফাকিস্তান, বাকিস্তান, রাষ্ট্রপতিতালয় বলতে হবে না। তুমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে যাও। তুমি পাকিস্তান বললেও আমরা বুঝব তুমি ফাকিস্তানের কথাই বলছ। তুমি প্রেসিডেন্ট বললেও আমরা বুঝব তুমি বোঝাচ্ছ রাষ্ট্রপতিত। হা হা হা ।
শাহেরজাদি তার গল্প বলে চলেছে :
ক্রিং ক্রিং। ফোন বাজছে।
সামরিক সচিব জেনারেল ইসহাক ফোন ধরলেন, ‘এমএস বলছি।
‘প্রেসিডেন্ট কি বেরিয়েছেন? শাহ এখনি বেরোবেন । তাকে ফেয়ারওয়েল দিতে হবে । অলরেডি আমরা লেট ।'
‘প্রেসিডেন্ট বের হননি।'
"কখন বের হবেন?"
বলা মুশকিল। তিনি তার ঘরে। তিনি ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
‘এগিয়ে যান। তাকে ডাকুন। এটা রাষ্ট্ৰীয় প্রোগ্রাম। ইরানের শাহর ফ্লাইট ছেড়ে দেবার সময় পার হয়ে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট কখন আসবেন আর কখনই বা ইরানের শাহকে বিদায় জানাবেন?
“কিন্তু আমরা কী করব? প্রেসিডেন্টের ঘরে তার অতিথি আছেন।"
‘প্রেসিডেন্টের ঘরের দরজা কি ভেতর থেকে বন্ধ?
'তা তো জানি না।"
গিয়ে ধাক্কা মারুন।'
"সেটা তো সম্ভব না।"
ক্রিং ক্রিং।
‘প্রেসিডেন্ট কি বেরিয়েছেন?
ক্রিং ক্রিং। "প্রেসিডেন্ট কি বেরিয়েছেন?"
ক্রিং। ক্রিং।
ক্রিং ক্রিং। প্রেসিডেন্ট কি বের হয়েছেন?
ক্রিং ক্রিং। জি না, বের হননি। জি, আমি দেখছি কী করা যায়?
প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব জেনারেল ইসহাক কী করতে পারেন?
কিন্তু এতবার ফোন আসছে। পররাষ্ট্রবিষয়ক কর্তারা এত অস্থির হয়ে গেছেন—তার একটা কিছু করা দরকার।
প্রেসিডেন্টকে ডিস্টার্ব করা যাচ্ছে না, কারণ তার কক্ষে নুরজাহান। পাকিস্তানের মালিকা ই তারানুম। প্রেসিডেন্ট যাকে আদর করে ডাকেন নুরি। গায়িকা এবং নায়িকা।
জেনারেল ইসহাক মুশকিলে পড়লেন। একটা উপায় হলো প্রেসিডেন্টের ফোনে কল দেওয়া। কিন্তু দেবেটা কে? কার ঘাড়ে দুইটা মাথা ।
উপায় নাই। জেনারেল ইসহাক তার টেবিলের ওপরের লাল রঙের ফোনটা তুললেন। নম্বরে আঙুল দিয়ে ডায়াল ঘোরালেন। রিং হচ্ছে। কেউ ধরছে না।
জেনারেল ইসহাক বিপন্ন। প্রেসিডেন্ট হাউসের স্টাফরা সবাই দাড়িয়ে আছে, কিংকর্তব্যবিমূঢ় ।
মহা কেলেঙ্কারি হতে যাচ্ছে। পিআইএর বিমানটা পিন্ডি এয়ারপোর্টে প্রস্তুত। ইরানের শাহ তার লটবহর নিয়ে তৈরি হয়ে বসে আছেন। এখন প্রেসিডেন্ট যদি না বেরোন, তাহলে সারা পৃথিবীকে মুখ দেখানোর উপায় থাকবে না ।
হঠাৎ জেনারেল ইসহাকের মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তার মনে একটা আশার সঞ্চার হয়েছে। তিনি একটা আলোর রেখা দেখতে পেলেন। একমাত্র জেনারেল রানি পারেন তাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।
রানির বালামখানা খুব দূরে নয়। জেনারেল ইসহাক মোটরগাড়িতে ছুটলেন সেই বালামখানার দিকে। দ্রুত ঢুকে গেলেন বাড়িতে। বাড়ির বাইরে পুলিশ প্রহরীরা জেনারেলের গাড়ি দেখে তাকে ঢুকতে দিল বিনা বাক্যব্যয়ে। এই প্রমোদকুঞ্জেও নানা জাতের জেনারেলরা সব সময়ই আসা-যাওয়া করেন। তাদের ঢুকতে দেওয়াই দস্তর।
জেনারেল ইসহাক বললেন, মাতাজি, আপনাকে এক্ষুনি আমার সঙ্গে যেতে হবে।'
তাকে ডাকা হয় জেনারেল রানি বলে। রানি পরে আছেন একটা আঁটসাট কামিজ, নিচের দিকে ঢোলা ওপরের দিকে চিপা একটা সালোয়ার। তার ওড়না হাতে, ওড়নার দুই প্রান্ত পায়ের দিকে গড়াচ্ছে। তার ঠোট লাল, তার হাত ভরা সোনার বালা ।
রানি বললেন, তবিয়ত ঠিক আছে?
জি?’ জেনারেল ইসহাক চমকে উঠলেন।
শরীর ঠিক আছে?"





This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

লীলাবতীর মৃত্যু - হুমায়ূন আহমেদ

Lilabotir Mrityau - Humayun Ahmedলীলাবতীর মৃত্যু - হুমায়ূন আহমেদ




Download
Lilabotir Mrityau - Humayun Ahmed in pdf.
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

দেশ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বইমেলা সংখ্যা

দেশ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বইমেলা সংখ্যা
দেশ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বইমেলা সংখ্যা
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

রিটিন - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

রিটিন - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
রিটিন - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বিশাল হলঘরের মাঝখানে একটা গ্রানাইটের টেবিল। টেবিলের অন্যপাশে সোনালি চুলের মাঝবয়সী একজন মহিলা বসে তীক্ষ চােখে রিটিনের দিকে তাকিয়ে আছে। রিটিন খুব মনোযোগ দিয়ে তার হাতের নখগুলো পরীক্ষা করছে, তাকে দেখলে মনে হবে এই মুহূর্তে তার হাতের নখগুলো দেখা খুবই জরুরি।
সোনালি চুলের মহিলা জোর করে মুখে একটা হাসি ফুটিয়ে বলল, “তুমি কী করতে চাও?”
রিটিন বলল, “আমি তোমাকে বলেছি। আমি লেখাপড়া করতে চাই। লেখাপড়া করে গবেষণা করতে চাই।”
সোনালি চুলের মহিলা বলল, “আমি ঠিক বুঝতে পারছি না তুমি কেন আমাকে এটা বলছ! তুমি খুব ভালো করে জান কে কী করবে: সেটি পূর্ব নির্ধারিত। গত একশ বছর থেকে মানুষকে জেনেটিক উপায়ে ডিজাইন করা হয়। যারা লেখাপড়া করবে তাদের সেভাবে ডিজাইন করতে হয় | তোমাকে করা হয়নি।”
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

স’তে সেন্টু মুহম্মদ জাফর ইকবাল

স’তে সেন্টু - মুহম্মদ জাফর ইকবাল স’তে সেন্টু
মুহম্মদ জাফর ইকবাল

পরের দিন ক্লাসে গিয়ে ডেস্কে ব্যাগটা রেখে যখন বের হয়ে আসছি তখন হঠাৎ লক্ষ্য করলাম একটা ছেলে হুইল চেয়ারে করে আমাদের ক্লাশে ঢুকছে। হুইল চেয়ারটা এমনভাবে চালিয়ে আনছে যে দেখে আমার মনে হতে থাকে যে হাটা এক ধরনের ঝামেলা এবং হুইল চেয়ারে চলাফেরা করার কাজটা বুঝি খুবই সহজ। ক্লাশরুমের মাঝখানে এসে সে থেমে গেল এবং আমরা সবাই তখন তাকে ঘিরে দাড়ালাম। আমি ভেবেছিলাম দেখব ছেলেটার পা নেই কিন্তু দেখলাম তার দুটো পাই বেশ ভালোমতন আছে। সেই পায়ে সে রীতিমত চকচকে জুতো-মোজা পরে আছে। পা থাকার পরও সে কেন হাটতে পারে না, তাকে কেন হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতে হয় আমি বুঝতে পারলাম না।
বইটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন
This is the largest online Bengali books reading library. In this site, you can read old Bengali books pdf. Also, Bengali ghost story books pdf free download. We have a collection of best Bengali books to read. We do provide kindle Bengali books free. We have the best Bengali books of all time. We hope you enjoy Bengali books online free reading.

Authors

 
Support : Visit our support page.
Copyright © 2021. Amarboi.com - All Rights Reserved.
Website Published by Amarboi.com
Proudly powered by Blogger.com